Popular Posts

01 April, 2014

When Forever Died


It was never going to be easy having to look at you as a friend, yet wanting you to be so much more.
It’s as simple as opening a not so distant door and telling you I Love you but I can’t, I’m afraid because you don’t see me in that way.
The last thing I want is for our friendship to be dead. You’ve been there for me when I needed you most. As one painful chapter of my life ended, you gave me hope and you showed me reasons.
It’s difficult to be rational when emotions concerned. Why must Love be unconditional? So much for my prayers. I’m torn between the moon and the sun. I can’t Love you in the way I want.
I've seen it happen and it’s not pretty to watch the stars fall when forever died. I couldn’t even cry. All I did was sit out that night, hiding the fear to myself by looking out to a far off place.
It’s cruel but some say the gods play men. Deep in my heart, it’s me to be blame. Why did our friendship ended?


13 March, 2014

Open Letter to Love ~



Dear,

You are the one who had learnt me to love own-self..
You are the one who helped me to smile again..
You are the one who gave me light when I was in darkness..
You are the one who tried to give me a new life when I lost the hope to live..
You are the one who supported me in my every difficulties..
You are the one who cares me more than my family, my relatives do for me..
You are the one who I love most..
You are my ultimate Facilitator..
I just can't take the word 'loser' from you....
You are the BEST~
Love you... ♥♥♥


12 March, 2014

এক - দুই - তিন

এক-দুই-তিন................
দেখতে দেখতে তিন-তিনটে বছর পাড়  করলাম এই স্কুলে। মাঝে মাঝে  মনে হয়, এই সেদিনের কথা. 
দিনটা ছিল ২৪শে ফেব্রুয়ারী,২০১১। written test আর viva'র পরে রেজাল্ট বেরলো। আমি এডমিট কার্ড-টা খুঁজে না পেয়ে, ফর্ম-এর কাউন্টার পার্ট থেকে কি একটা নম্বর পেয়ে নেট-এ put করলাম। যথারীতি দেখালো," sorry! You're unsuccessful!"; ,ভেবেছিলাম, যাঃ! এটাও গেল! সেজেগুজে চলে গেছিলাম অন্য একটা Interview দিতে।কিন্তু হঠাত-ই যখন বিকেল বেলা "Joining Letter"-টা পেলাম, ভেবেছিলাম ভুল  করে এসে গেছে! তারপর শুরু করলাম, আসল Admit Card-টা খুঁজতে। পেয়ে দেখলাম "Roll No." আর "Form No." ২টো-তো সম্পূর্ণ আলাদা! তখন আবার নেট-এ বসলাম। ঠিকঠাক রোল নং দিতে, দেখালো "Congrats! You're Successful!" It was such an amazing experience!! 

যাইহোক, তারপরে কাউন্সিলে দৌড়নো. পছন্দ-সই স্কুল না পাওয়াতে joining-এর আগেই Re-posting! সেসব অনেক কান্ড!!
১৭দিন ধরে এসব কান্ড করার পরে শেষমেশ ১২ই মার্চ, সকাল ১০টা ৪৫মিনিট-এ join করলাম।
স্কুল সম্পর্কে আমার প্রথম অভিব্যক্তি ছিল, এরকম-ও স্কুল হয়!!
প্রথমে মন বসাতে অনেক সময় লেগেছিল। কিন্তু ওদের সাথে মিশতে মিশতে কখন যে ওদের ভালোবেসে ফেললাম, নিজেই জানিনা।
যখন প্রথম গেলাম, তখন ওরা পড়াশোনার বাইরে আর কিছুই সেরকম করত না. ভাবলাম, ওদের কিছু শেখানো দরকার! পড়াশোনার সাথে সাথে কিছু Extra Curricular Activity শেখাতে শুরু করলাম। "নাচ"-টা ছোটবেলা থেকে শিখেছি। এবং এটা আমার একটা ভালবাসার জায়গাও বটে. তাই শুরু-তা এটা দিয়েই করলাম। বাকি দিদি-দেরও আমার পাশে পেলাম। আমার পরে আরও ২জন দিদি এলেন (নতুন নন, অন্য স্কুল থেকে ট্রান্সফার হয়ে).  তাদের মধ্যে একজন ড্রিল ও একজন গানে বেশ ভালো। শুরু করলাম আমাদের নতুন  পথ চলতে। তবে সময় লাগলো প্রায় ১বছর. ওদের দিয়ে প্রথম perform করালাম ৫ই সেপ্টেম্বর,২০১৩-তে. উপস্থিত ছিলেন প্রায় ১১৫জন.


অনুষ্ঠান Almost Successful! সাহসের পারদ একটু একটু করে বাড়তে লাগলো! স্কুল থেকে বেরিয়ে এবার ওদের আত্মপ্রকাশ করতে হবে বাইরে। সামনেই আমাদের Annual Sport Meet (Circle-V). এতদিন ধরে স্পোর্টস-এর মাঠে কালচারাল অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেখেছি আমাদের সার্কেলের নামী ৪টে স্কুল-কে. ভাবলাম এটাই ভালো সুযোগ! দিদি-রা বললেন, "ভেবে দেখ স্বর্নালী, হুজুগের মাথায় কোনো সিদ্ধান্ত নিও না." কিন্তু আমার তো যা ভাবার তা হয়ে গেছে। নতুন করে ভাবার আর কোনো জায়গা ছিল না. কারণ পিছিয়ে যেতে তো আমি শিখিনি। আদা-জল খেয়ে লেগে পড়লাম ওদের তৈরী করতে। সাথে পেলাম বাকি দিদি-দের সাহায্য। সব-ই ঠিক ঠাক চলছে, এমন সময় জানতে পারলাম, এই দিন-কার কালচারাল অনুষ্ঠান-এ participate করার জন্য আমার নাম এসেছে।পরলাম খুব বিপদে। আমি নিজে rehearsal করতে যাবো, নাকি ওদের সময় দেবো! ২টোই তো সমান গুরুত্বপূর্ণ, শুধু আমার জন্য নয়! গত স্কুল-এর জন্য। স্কুল-এ ওদের নিয়ে শুরু করলাম। আর বাড়িতে নিজেকে ঘসামাজার কাজ করতে লাগলাম। অনুষ্ঠানের আগের দিন ওদের শাড়ী, গয়না, মেক-আপ সবকিছু বাড়ি নিয়ে এলাম, যাতে সবকিছু perfect হয়. সবকিছু শেষ করে ঘুমোতে গেলাম ৩টে নাগাদ। 
পরদিন সকল ৮টার মধ্যে মাঠে পৌঁছলাম। উদ্বোধনি অনুষ্ঠান আমার। অন্য একজন দিদির ওপর দায়িত্ব দিলাম ওদের রেডি করার। কিন্তু ওই যে, সব কিছু Perfect করার জন্য নিজের অনুষ্ঠান শেষ করেই ছুটলাম ওদের Finishing-Touch দিতে। সব কিছু দেখেশুনে নেওয়ার পরে এবার ঈশ্বর-কে ডাকার পালা। স্কুলের নাম announce হওয়ার সাথে সাথে ওদের মাঠে ঠিক  করে position দেখিয়ে দিয়েই আমার বুক ধিবধিব করতে লাগলো! ঈশ্বর-কে ডাকছি, "আমার মুখটা রেখো!" হলো অনুষ্ঠান। খুব যে ভালো,সেটা বলতে পারি না. কিন্তু ভালো স্কুল-এর লিস্ট-এ একটা নতুন নাম-তো অবশ্যই যোগ হলো. এটাই বা আমার কম পাওনা কিসের?!   বেশি কিছু চাইনা, চাই যে, আমি যতটুকু শিখেছি, তার কিছুটা যেন ওদের দিতে পারি! আজ এই '৩' -এর পাশে একটা '০' বসার অপেক্ষায় রইলাম! :)



04 March, 2014

মজার অভিজ্ঞতা

গতকাল টিফিন টাইমে নার্সারির ক্লাস-রুমের বাইরে দিয়ে যাচ্ছি। হঠাত-ই একটি বাচ্চা, নাম দেব ( সিনেমার 'দেব' নয় ), আমার কাছে এসে বললো, "আন্টি, সুজন আমার ঘাড় টিপে দিয়েছে।" সুজন-কে ডেকে আনতে পাঠালাম। সে এলো, কিন্তু তার দোষ কিছুতেই স্বীকার করে না. এটুকু ব্যাপারে নার্সারী-র টিচার-কেও ডাকতে পারছি না. সুজন-কে নানা ভাবে জিজ্ঞেস করে চলেছি। কিছুতেই তো আর কিছু বলে না. শুধু বলে "আন্টি, আমি কিছু করিনি।"

পড়লাম এক সমস্যায়। দেব বলে চলেছে, অর ঘাড় টিপে দিয়েছে। আর সুজন বলে কিনা, সে করেনি।
একটা ফাঁকা ঘর দেখে দুজন-কে নিয়ে বসলাম। বকবো না, লজেন্স দেবো; বলেই চলেছি। কোনো লাভ-ই হচ্ছে না. সুজন-কে বলছি, ধাক্কা দিয়েছ? চিমটি কেটেছ? মেরেছ? সবেতেই বলে, "না". আচ্ছা মুশকিল হলো যে! এইসময় দেব-এর ঘাড়ে ঠিক কত-টা লেগেছে, দেখতে গিয়ে দেখি, ওর জামার কলার-তা একটু ভিজে। ইতিমধ্যে দেখেছি যে, সুজন-এর হাত-দুটো একটু ভিজে ভিজে! ব্যাপার-টা পরিষ্কার হলো যে, কিছু তো একটা হয়েছে। কিন্তু হয়েছে-টা কী?!

প্রায় ১২/১৩মিনিট এই করতে করতে কেটে গেছে। আর অপেক্ষা করতে পারলাম না. সুজন-কে জিজ্ঞাসা করলাম, " তুমি দেব-এর কলার ধরেছিলে কেন?"  
সুজন স্মার্টলি উত্তর দিলো , "দেখনা আন্টি, কখন থেকে দেব-কে ডাকছি, শুনতেই পাচ্ছিল না. তাইতো, পেছন থেকে ওর  জামার কলার ধরে ডাকলাম। কলারের ভেতরে যে ওর ঘাড়-টাও  আছে, বুঝতেই পারিনি!"
আমার  কাজ শেষ! কি যে বলবো; আদৌ কিছু বলবো কিনা বুঝতে না পেরে; ওদের দুজনের ভাব করিয়ে দিয়ে, নিজের ক্লাসের দিকে পা বাড়ালাম। :)

02 March, 2014

ফিরে দেখা

আজ  আমি যা (যেটুকু), তার  পেছনে আমার "মা" ছাড়া,  আর যাদের অবদান অনস্বীকার্য্য; তাদের-কে আজ ফিরে দেখবো :)


মুকুল বিথী
একদম ছোটবেলা-তে পড়েছি "মুকুল বিথী"-তে. সবার কাছে খুব পরিচিত না হলেও,  উত্তর কলকাতা-বাসীর কাছে  পরিচিত নাম. মোটামুটি বড় স্কুল। ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা বেশ ভালো। এখানে পড়েছি আড়াই বছর.  এখানকার নিয়ম যে, দিদি-দের সবাই "মাসিমা" বলে ডাকে।

 ব্রাহ্ম গার্লস মন্তেসরী

এরপরে, ভর্তি হলাম ব্রাহ্ম গার্লস মন্তেসরী-তে. এটাও ছিল বেশ নামী ও দামী স্কুল! এখানে পড়লাম ৪বছর.  ক্লাস 2 পর্যন্ত। 


বেথুন কলেজিয়েট স্কুল




 এর পরে ভর্তি হলাম "বেথুন কলেজিয়েট স্কুল"-এ.  যার সম্পর্কে ১টি কথা বলার-ও প্রয়োজন পরেনা। যার তুলনা, সে নিজেই। এখানে পরলাম ক্লাস 3 থেকে ক্লাস 12 অবধি। মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক ২টোই এখান থেকে। মা-এর পরে আমার কাছে আমার স্কুল-এর স্থান। জীবনে বিদ্যা, শিক্ষা, মূল্যবোধ, আচার-ব্যবহার সবকিছু; সবকিছুই শিখেছি এখান থেকে। " দিদি"-দের কাছ থেকে মাতৃসম ভালবাসা পেয়েছি এখানেই। আমার স্কুল-এর কাছে আমি কৃতজ্ঞা। আমার এতটাই ঋণ, যে তা বলে শেষ করা যাবেনা কোনদিন. বলা যেতে পারে, আমার মধ্যে নারীবাদের বীজ বপনের সূত্রপাত এখান থেকেই শুরু হয়েছিল!




Techno India

এরপরে  এলো, কলেজ আর ইউনিভার্সিটি-র পালা। B.C.A. পড়তে ভর্তি হলাম "Techno India"-তে. নাম-দাম-প্রাচুর্য্যে এলাহি ব্যাপার! প্রথম দিন দেখে তো আমার চক্ষুস্থির! 

কলেজ, তার Status, তার Faculties, তার Students, সব কিছুই যেন হাই-ফাই এখানে! প্রথম প্রথম তো একটু ভয়, ভয় লাগত। সবসময়-ই মনে হত, "মানিয়ে নিতে পারব তো?" কিন্তু কিছুদিন পরে দেখলাম, মানিয়ে নেওয়ার মত কিছুই নেই. আমিও তো এদের মতই! আমাদের ক্লাস-এ আমরা ৮টা মেয়ে আর ৫২টা ছেলে ছিলাম. আমার  আবার বরাবর-ই মেয়ে-দের থেকে ছেলে  বন্ধু বেশি ভালো  লাগলো। তাই, মানাতে একটুও অসুবিধা হয়নি। বরং বেশ   ভালোই  কাটছিল দিন-গুলো. 



বেসু

Master in Business Administration & Master in Computer Application - ২টোই এখান থেকে করলাম। কলেজ তো নয়, যেন একটা ছোট-খাটো শহর. কি ছিলনা এর মধ্যে! ২৭টা buildings, ২টো মাঠ (Oval & Lords), ৫টা বোর্ডিং, ব্যাংক, ATM, ক্লিনিক, পুলিশ ফাঁড়ি, কী ছিলনা সেটার মধ্যে! এসবের সাথে উপরি পাওনা ছিল গঙ্গা দর্শন আর গঙ্গার হওয়া খাওয়া! আমাদের এম.বি.এ-র ক্লাস ৮তলা-তে. তাই, একটু বেশি হওয়া দিলেই গঙ্গার জলের ঝাঁট এসে ভিজিয়ে যেত আমাদের-কে!





18 February, 2014

A Little Confession


Ethics'এর জলাঞ্জলি 

'Ethics' -কে ভীষণ ভাবে মূল্য দিয়েছি সারাজীবন। নিজের এথিক্স-কে বজায় রাখার জন্য অনেক কিছু ত্যাগ-ও করেছি। সারাজীবন চেয়ে এসেছি, নিজের কাছে নিজে একদম পরিষ্কার থাকব। আজ-ও হয়ত নিজের কাছে নিজে পরিষ্কার থাকার জন্যই এই Confession!

জীবন-এর সব পরীক্ষা-তেই নিজের ওপরে ভরসা রেখেছিলাম। স্কুল-কলেজের হোক; বা অন্য ক্ষেত্রের। যথারীতি সেই ভরসা নিয়েই আজ-কেও গেছিলাম পরীক্ষা দিতে। প্রস্তুতি মারাত্মক ভালো ছিল, তা নয়. কিন্তু খুব খারাপ ছিল, তাও বলি কীকরে? শেষ দুমাস ধরে বেশ মন দিয়েই পড়াশোনা করছিলাম। রাত ভর করে ৪/৫টা অবধি পড়ছিলাম। 

আজ প্রথম অর্দ্ধে ছিল Core Subject'এর 1st Paper. ৭০নম্বরের পরীক্ষায় মোটামুটি ৫৫ পাবো আশা করি. কিন্তু দেখলাম, সবাই (২৯৪ জনের মধ্যে ২৯০ জন  তো হবেই) সাথে করে বই, নোটস, চোতা নিয়ে বসেছে।পরীক্ষা শেষে সবার মুখে খুশির হাসি। সবাই আশা করছে ৬০/৬৫. সেখানে আমি মাত্র ৫৫. কিছুটা যেন দমে গেলাম।

দ্বিতীয়ার্ধে ছিল Core Subject'এর 2nd Paper'এর পরীক্ষা। Preparation আমার খুব ভালো ছিল না. আমি সম্পূর্ণ অন্য Field'এর মানুষ। আমি বুঝি মেশিন-কে. Pedagogy, Child Development, Child Psychology এসব কী জিনিস? খায় নাকি মাথায় মাখে! যাইহোক, দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা দিতে বসার সময় সাথে করে বই-টা নিয়ে বসলাম; বাকি সবার মত. ৭০ নম্বরের মধ্যে ৫২ নম্বর লিখলাম একদম নিজে নিজে। বাকিটা হয়ত একটু চেষ্টা করলে পারতাম। কিন্তু হঠাত-ই মনটা বলে উঠলো,'চেষ্টা করব কেন? সাথে তো বই আছে!' 

ব্যস! যেই না ভাবা, অমনি বই বের করে বাকি ১৮ নম্বর বই দেখে হুবহু টুকে ফেললাম। প্রথম "রক্তের স্বাদ " পেলে, মানুষের যেমন আনন্দ হয়, আমারও ঠিক সেরকম অনুভূতি হচ্ছিল। 

কিন্তু বাস-এ করে বাড়ি ফেরার সময় আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম না. চোখের জল আর বাঁধ  মানলো না. নিজের চাকরিটা বজায় রাখতে গিয়ে নিজের Ethics'কে জলাঞ্জলি দিলাম আজ. এটার কি খুব দরকার ছিল? হয়ত বা ছিল না; আবার হয়ত বা ছিল! নিজের কাছে নিজেকে বড্ড ছোট লাগছে আজ. এই স্বীকারোক্তি-টার খুব দরকার ছিল!